Girosto Special

দেশি গ্রিন টি | Green tea price in Bangladesh

SKU: GIR-125

বাজারে অনেক গ্রিন টি পাওয়া গেলেও মান ও উৎস নিয়ে নিশ্চিত থাকা সবসময় সহজ হয় না। গিরস্তের দেশি গ্রিন টি তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) কর্তৃক উদ্ভাবিত জাত থেকে, যা দেশের মাটি ও আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে তৈরি করা হয়েছে বিশেষভাবে ভালো মানের চা পাতা পাওয়ার জন্য।

চা পাতাগুলো প্রক্রিয়াজাত করার সময় fermentation এড়িয়ে চলা হয়, যার ফলে পাতার প্রাকৃতিক সবুজ রঙ অনেকটাই বজায় থাকে। কাপে ঢালার পর লিকারেও এই সবুজাভ আভা স্পষ্ট বোঝা যায়—যা দেশি গ্রিন টির একটি চেনা বৈশিষ্ট্য। যারা দৈনন্দিন রুটিনে চায়ের একটি হালকা, কম-প্রসেসড বিকল্প খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি সহজ একটি সংযোজন হতে পারে।

পণ্যের নাম: দেশি গ্রিন টি

ধরন: Green Tea

জাত: বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) উদ্ভাবিত জাত

লিকারের রঙ: সবুজ

প্রসেসিং: Non-fermented

Added Sugar: নেই

Artificial Flavour: নেই

ব্যবহার: সকাল-বিকেলের চা, ডিটক্স ড্রিংক, লেবু বা মধুর সঙ্গে

বিক্রেতা: গিরস্ত – Girosto special

৳280

Carefully selected
Thoughtfully packed
Delivery support

Product availability, appearance, and delivery time may vary. Contact Girosto if you need sourcing or ingredient details.

গিরস্তের দেশি গ্রিন টি কেন বেছে নেবেন?

চায়ের স্বাদ ও গুণগত মান নির্ভর করে পাতার জাত, প্রসেসিং এবং সংরক্ষণের ওপর। গিরস্তের গ্রিন টিতে এই তিনটি বিষয়েই যত্ন নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রতি কাপে একটি নির্ভরযোগ্য অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।

  • বিটিআরআই উদ্ভাবিত জাত: দেশীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত উচ্চ মানের চা জাত থেকে তৈরি।
  • সবুজ রঙের লিকার: কম প্রসেসিংয়ের কারণে পাতার প্রাকৃতিক সবুজ আভা লিকারেও বজায় থাকে।
  • Added sugar নেই: আলাদা করে চিনি যোগ করা হয় না।
  • কৃত্রিম ফ্লেভার নেই: স্বাদ বাড়ানোর জন্য artificial flavour ব্যবহার করা হয় না।
  • দেশীয় উৎস: বাংলাদেশের চা বাগান থেকে সংগ্রহ করা পাতা দিয়ে তৈরি।
  • সহজে ব্যবহারযোগ্য: সকাল, বিকেল বা কাজের ফাঁকে দ্রুত বানিয়ে নেওয়া যায়।

গ্রিন টি কী?

Green tea তৈরি হয় ক্যামেলিয়া সিনেনসিস (Camellia sinensis) গাছের পাতা থেকে—যে গাছ থেকে ব্ল্যাক টি ও ওলং টিও তৈরি হয়। পার্থক্যটা মূলত প্রসেসিংয়ে। ব্ল্যাক টির ক্ষেত্রে পাতা fully fermented করা হয়, কিন্তু গ্রিন টির পাতা তোলার পর দ্রুত heat বা steam দিয়ে প্রসেস করা হয়, যাতে fermentation প্রক্রিয়া মূলত এড়ানো যায়।

এই কারণে গ্রিন টির পাতা ও লিকার সাধারণত ব্ল্যাক টির তুলনায় হালকা রঙের এবং স্বাদেও তুলনামূলক হালকা ও তাজা হয়।

গ্রিন টি ও ব্ল্যাক টির পার্থক্য

গ্রিন টি ও ব্ল্যাক টি একই চা-পাতা থেকে তৈরি হলেও প্রসেসিং পদ্ধতির কারণে তাদের রং, স্বাদ ও বৈশিষ্ট্যে পার্থক্য দেখা যায়। সহজভাবে বুঝতে নিচের টেবিলে দুটির প্রধান পার্থক্য তুলে ধরা হলো।

বিষয় Green Tea Black Tea
প্রসেসিং কম প্রসেসড, সাধারণত oxidation কম বেশি oxidized বা সম্পূর্ণভাবে oxidized
লিকারের রং হালকা সবুজ থেকে সোনালি-সবুজ গাঢ় লাল থেকে বাদামি
স্বাদ হালকা, সতেজ ও কিছুটা ঘাসের মতো তুলনামূলক কড়া, গভীর ও শক্তিশালী
Catechin Catechin -জাতীয় উপাদান তুলনামূলক বেশি থাকে প্রসেসিংয়ের কারণে কিছু catechin পরিবর্তিত হয়
প্রসেসিংয়ের প্রভাব পাতার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য বেশি বজায় থাকে Oxidation-এর ফলে চায়ের রং, স্বাদ ও কিছু উপাদানের গঠন পরিবর্তিত হয়

গিরস্তের দেশি গ্রিন টির উপকারিতা

গ্রিন টি দীর্ঘদিন ধরেই দৈনন্দিন lifestyle-এর একটি জনপ্রিয় পানীয় হিসেবে পরিচিত। নিচে সাধারণভাবে যেসব বিষয় নিয়ে গ্রিন টি আলোচিত হয়, তার একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা দেওয়া হলো।

১. Antioxidant সমৃদ্ধ

গ্রিন টিতে polyphenol ও catechin-জাতীয় প্রাকৃতিক উপাদান থাকে, যা antioxidant হিসেবে পরিচিত। কম প্রসেসিংয়ের কারণে এই উপাদানগুলো তুলনামূলক ভালোভাবে বজায় থাকে।

২. হালকা ক্যাফেইন

গ্রিন টিতে সাধারণত কফির তুলনায় কম ক্যাফেইন থাকে, যা দিনের যেকোনো সময় তুলনামূলক হালকাভাবে গ্রহণ করা যায়। তবে ক্যাফেইন-সংবেদনশীল ব্যক্তিদের পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখা উচিত।

৩. দৈনন্দিন রুটিনে সহজ সংযোজন

চিনি বা দুধ ছাড়াই তৈরি করা যায় বলে ক্যালোরি-সচেতন খাদ্যাভ্যাসে গ্রিন টি সহজেই যুক্ত করা যায়। লেবু বা এক চামচ মধু দিয়ে স্বাদ পরিবর্তন করা সম্ভব।

৪. হাইড্রেশনে সহায়ক

পানির পাশাপাশি গ্রিন টিও দৈনন্দিন তরল গ্রহণের একটি অংশ হতে পারে। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় গ্রহণ এড়িয়ে চলা ভালো।

দেশি গ্রিন টি কীভাবে বানাবেন?

গিরস্তের গ্রিন টি বানানো খুবই সহজ এবং কয়েক মিনিটেই তৈরি করা যায়। বেশি সময় ভিজিয়ে রাখলে চা তেতো হয়ে যেতে পারে, তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই পাতা ছেঁকে নেওয়া ভালো।

প্রস্তুতপ্রণালী:

  • একটি কাপ পানি ফুটিয়ে নিন এবং সামান্য ঠান্ডা হতে দিন (ফুটন্ত পানি সরাসরি ব্যবহার না করাই ভালো)।
  • কাপে বা টি-পটে ১ চা-চামচ গ্রিন টি পাতা দিন।
  • গরম পানি ঢেলে ২–৩ মিনিট ঢেকে রাখুন।
  • পাতা ছেঁকে নিয়ে চা পরিবেশন করুন।
  • ইচ্ছা হলে সামান্য মধু বা লেবুর রস যোগ করতে পারেন।

গ্রিন টি কখন খাবেন?

গ্রিন টি দিনের বিভিন্ন সময় খাওয়া যায়, তবে সঠিক সময় বেছে নিলে এর স্বাদ ও উপকারিতা ভালোভাবে উপভোগ করা যায়। সাধারণত খাবারের মাঝামাঝি সময় বা হালকা নাশতার পর গ্রিন টি পান করা আরামদায়ক।

  • সকালে নাশতার পর
  • বিকেলের হালকা বিরতিতে
  • হালকা ব্যায়ামের আগে বা পরে
  • রাতে ঘুমানোর অনেক আগে, ক্যাফেইনের প্রভাব বিবেচনায় রেখে

দেশি গ্রিন টি সংরক্ষণের নিয়ম

সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে চা পাতার সুগন্ধ ও স্বাদ দীর্ঘদিন ভালো থাকে।

  • প্যাকেট খোলার পর বায়ুরোধী পাত্রে রাখুন।
  • আর্দ্রতা ও পানির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।
  • সরাসরি সূর্যের আলো ও তীব্র গন্ধযুক্ত জিনিস থেকে দূরে রাখুন।
  • ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।
  • প্যাকেটে উল্লেখিত মেয়াদের মধ্যে ব্যবহার করুন।

দেশি গ্রিন টি Specification

বিষয় বিস্তারিত
পণ্যের নাম দেশি গ্রিন টি
Product Type Green Tea
জাত বিটিআরআই (বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট) উদ্ভাবিত জাত
প্রসেসিং Non-fermented
লিকারের রঙ সবুজ
Added Sugar যোগ করা হয় না
Artificial Flavour ব্যবহার করা হয় না
ভিজিয়ে রাখার সময় আনুমানিক ২–৩ মিনিট
ব্যবহার সকাল-বিকেলের চা, ডিটক্স ড্রিংক
Storage ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে
বিক্রেতা Girosto – গিরস্ত

FAQs about দেশি গ্রিন টি

এটি বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি উন্নত জাত থেকে তৈরি, যা দেশের মাটি ও আবহাওয়ার উপযোগী করে বিশেষভাবে গবেষণা করে তৈরি করা হয়েছে।

গ্রিন টি প্রসেসিংয়ের সময় fermentation এড়িয়ে চলা হয়, যার ফলে পাতার প্রাকৃতিক সবুজ রঙ অনেকটাই বজায় থাকে এবং লিকারেও সবুজাভ আভা দেখা যায়।

না। গিরস্তের দেশি গ্রিন টিতে আলাদা করে sugar বা artificial flavour যোগ করা হয় না।

সাধারণত গরম পানিতে ২–৩ মিনিট ভিজিয়ে রাখলেই যথেষ্ট। বেশি সময় ভিজিয়ে রাখলে স্বাদ তেতো হয়ে যেতে পারে।

দুটোই একই গাছের পাতা থেকে তৈরি হলেও প্রসেসিং আলাদা। গ্রিন টি non-fermented, তাই এর রঙ ও স্বাদ তুলনামূলক হালকা; ব্ল্যাক টি fully fermented হওয়ায় রঙ গাঢ় ও স্বাদ কড়া হয়।

এটি ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং ক্যাফেইন-সংবেদনশীলতার ওপর নির্ভর করে। নির্দিষ্ট পরিমাণ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

গ্রিন টিতে ক্যাফেইন থাকায় ঘুমানোর ঠিক আগে বেশি পরিমাণে খাওয়া এড়ানো ভালো। বিকেল বা সন্ধ্যার আগেই খাওয়া তুলনামূলক নিরাপদ।

প্যাকেট খোলার পর বায়ুরোধী পাত্রে, আর্দ্রতা ও সূর্যের আলো থেকে দূরে, ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করা উচিত।